
প্রবাসীরা বাংলাদেশে ছুটি কাটাতে এলে তাদের ব্যবহৃত স্মার্টফোন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই সর্বোচ্চ ৬০ দিন চালু থাকবে। এর পর দেশে অবস্থান দীর্ঘ হলে মোবাইল ফোন বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে—ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈধ মোবাইল আমদানি নিশ্চিত করতে এবং বাজারে অবৈধ ফোনের প্রচলন কমাতে ১ ডিসেম্বর এনবিআর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসির সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত সভায় এ সংক্রান্ত বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিএমইটি রেজিস্ট্রেশন কার্ডধারী প্রবাসীরা দেশে তিনটি ফোন ফ্রি আনতে পারবেন। চতুর্থ ফোন আনলে শুল্ক দিতে হবে।
যেসব প্রবাসীর বিএমইটি কার্ড নেই, তারা নিজের ব্যবহারের ফোনের পাশাপাশি একটি অতিরিক্ত ফোন ফ্রি আনতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ফোন কেনার বৈধ কাগজপত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
১৬ ডিসেম্বরের আগে দেশে অবৈধভাবে আমদানি করা স্টক ফোনগুলোর মধ্যে বৈধ IMEI–যুক্ত ফোনগুলো বৈধ করার প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে।
তবে ক্লোন ও রিফারবিশড ফোন এই সুবিধার আওতায় থাকবে না। সরকার আরও জানিয়েছে, ১৬ ডিসেম্বরের আগে ব্যবহৃত সচল কোনো মোবাইল ফোন বন্ধ করা হবে না।
কেসিং পরিবর্তন করে পুরোনো ফোন নতুন হিসেবে বিক্রির অনিয়ম ঠেকাতে বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোয় বিশেষ নজরদারি শুরু করা হয়েছে। ভারত, থাইল্যান্ড ও চীন থেকে আসা ফ্লাইটগুলোকে চিহ্নিত করে শিগগিরই কাস্টমস অভিযান পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।
সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মতে, এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে বাজারে বৈধ ফোন ব্যবহারে উৎসাহ বাড়বে এবং অনিয়ম কমবে।
আপনার মতামত লিখুন :