আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে: দুদক মুখপাত্র


আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে: দুদক মুখপাত্র

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ১৮৮ কর্মকর্তার বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের মুখপাত্র আকতারুল ইসলাম।

অভিযোগের আওতায় থাকা অন্য তিনজন হলেন—যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, যুগ্ম সচিব ড. শেখ মোহাম্মদ জুবায়েদ হোসেন এবং উপসচিব মো. মাসুম আহমেদ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নিয়োগ, বদলি ও কেনাকাটায় একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে।

অভিযোগ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত দল গঠন করেছে দুদক। সংস্থাটির মুখপাত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, বদলিতে অর্থ লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি এখন প্রকাশ্যে নিশ্চিত হলো।

এর আগে আসিফ মাহমুদের সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিরুদ্ধেও তদবির-বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চালিয়েছিল দুদক। প্রায় ১১ মাস অনুসন্ধানের পর গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে ওই অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর উপদেষ্টা পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন আসিফ মাহমুদ। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত তিনি ভোটে লড়েননি। বর্তমানে আসন্ন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে এনসিপি তাকে সমর্থন দিয়েছে।