আরিফিন শুভর সঙ্গে সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ নিয়ে বক্তব্য বিন্দুর


আরিফিন শুভর সঙ্গে সম্পর্ক ও বিচ্ছেদ নিয়ে বক্তব্য বিন্দুর

এক সময় টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের পর্দায় নিয়মিত দেখা যেত অভিনেত্রী আফসান আরা বিন্দুকে। সৌন্দর্য ও সাবলীল অভিনয়ের মাধ্যমে অল্প সময়েই দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন তিনি। তবে জনপ্রিয়তার মধ্যেই হঠাৎ করে আড়ালে চলে যান, যা নিয়ে দীর্ঘদিন দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল ছিল।

একাধিক নাটক ও প্রজেক্টে আরিফিন শুভর সঙ্গে বিন্দুর পর্দার রসায়ন দর্শকের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়। এই রসায়ন থেকেই একসময় তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন ছড়ায়। তবে সে সময় দুজনই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে খুব একটা কথা বলেননি। ২০১৪ সালের পর বিন্দু ধীরে ধীরে পর্দা থেকে হারিয়ে যান এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছিলেন প্রায় নিঃশব্দ।

দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর, ২০২৩ সালের ওয়েব ফিল্ম ‘উনিশ২০’–তে আবারও আরিফিন শুভর সঙ্গে জুটি বাঁধেন তিনি। পুরোনো রসায়ন নতুন করে আলোচনায় আসে এবং দর্শক প্রশংসাও করে। তবে এরপরও বিন্দু নিয়মিত হননি।

পডকাস্টে বিন্দু বলেন, “পর্দায় শুভর সঙ্গে আমার রসায়ন অসম্ভব ভালো, কারণ আমরা একে অপরকে খুব ভালো বুঝতাম। কিন্তু প্রেম ও বিচ্ছেদের প্রসঙ্গে কিছুটা থমকে যাই। ছোট ছিলাম, বাচ্চা ছিলাম। এটা বিপজ্জনক প্রশ্ন!” তিনি আরও যোগ করেন, “কেন সম্পর্কটা টেকেনি, তার উত্তর আমার কাছেও নেই। দুটো মানুষের পথচলা যে একই জায়গায় শেষ হতেই হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই। আমরা তখন কাজটাকেই পাগলের মতো ভালোবাসতাম। কাজের বাইরে অত কিছু ভাবার সুযোগই ছিল না। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে আবারও আরিফিন শুভর সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।”

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় প্রথম রানারআপ হয়ে শোবিজে পথচলা শুরু করেন বিন্দু। এরপর তৌকীর আহমেদের পরিচালনায় ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা কুড়ান। এছাড়া ‘পিরিতের আগুন জ্বলে দ্বিগুণ’, ‘জাগো’, ‘এই তো প্রেম’–এর মতো জনপ্রিয় সিনেমায় কাজ করে নিজের অবস্থান দৃঢ় করেন। বিশেষ করে ‘এই তো প্রেম’–এ শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় ছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়।

ছোট পর্দার নাটকেও নিয়মিত কাজ করেছেন বিন্দু। এক সময় ধারাবাহিকভাবে কাজ করার পর নিজেকে একটু গুটিয়ে নেন, বর্তমানে অনেক কম কাজ করছেন। দীর্ঘ নীরবতার পর পডকাস্টে খোলামেলা উপস্থিতি তার ওপর নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে দর্শকদের মাঝে।