
জাতীয় নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, রাজনীতির মাঠে উত্তাপও তত বাড়ছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ঢাকা-৯ আসন (সবুজবাগ, খিলগাঁও ও মুগদা) থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন শিক্ষক, চিকিৎসক ও উদ্যোক্তা তাসনিম জারা। এই নির্বাচনে প্রথমবার প্রার্থী হওয়ায় নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে তাকে।
গত ৩ জানুয়ারি যাচাই-বাছাইয়ের সময় তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন। এর আগে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও গত ২৭ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন।
তাসনিম জারার দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তার মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২২ লাখ ৮০ হাজার ১৯০ টাকা। তবে তার নামে কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে রয়েছে নগদ ১৬ লাখ টাকা, ২ হাজার ২৭০ ব্রিটিশ পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা), ব্যাংকে জমা ১০ হাজার ১৯০ টাকা এবং সহায় টেকনোলজিস বাংলাদেশ লিমিটেডের ৫০০ শেয়ার, যার মূল্য ধরা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের গহনার কথাও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন তিনি।
পেশাগত আয় হিসেবে তাসনিম জারার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা, যা তিনি সম্পূর্ণভাবে চাকরি থেকে অর্জন করেন।
এদিকে তার স্বামী খালেদ সাইফুল্লাহর নামেও কোনো স্থাবর সম্পদ নেই। তবে অস্থাবর সম্পদের দিক থেকে তিনি তাসনিম জারার তুলনায় এগিয়ে। হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, মনোনয়ন বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে, যা চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ২১ জানুয়ারি।
আপনার মতামত লিখুন :